Anti black magic duel Talisman Dr.(Esoteric) H.M.mosharaf 050626
এই ভিডিও এবং ভিডিও লিঙ্কে দেওয়া তেলিস্মানটি শুধু মাত্র সাধারণ মানুষের জন্য। যারা কোন না কোন ভাবে আমাদের সমাজিক ব্যাবস্থাপনায় স্বীকৃত তথা কথিত তান্ত্রিক, মান্ত্রিক, শাইখ, রাকি, ইত্যাদি ইত্যাদি বভিন্ন নাম ধারিদের দ্বারা প্রতারিত বা ব্ল্যাক মেইলের শিকার, হেনেস্তা, হয়রানি হয়ে আসছেন তাদের জন্য।
আপনারা উপকৃত হলেই আমার এই প্রচেষ্টা সার্থক হবে।
কমেন্টের মাধ্যমে জানানোর অনুরোধ রইল।
আমি এজটেরিক, ডাঃ এইচ, এম, মোশারফ।
Whatsapp:-01401001817

এটি তেলিস্মান।
এই ছবিটি SAVE AS/ডাউনলোড করে ব্যবহার করুন। আপনার সুবিধা অনুযায়ী যেকোন সাইজে প্রিন্ট করে নিবেন, এবং আপনার আশে পাশে যে কোন দৃশ্যমান স্থানে রাখবেন বা ঝুলিয়ে দেবেন।
এই ভিডিওটা এনার্জি হিলার/এজোটেরিক/রেইকি হিলার/ - দের জন্য। সাধারনের পক্ষে বোঝা সম্ভব নাও হতে পারে।
এটা বিশ্বাস করা হয় যে খালি মানিব্যাগ গিফট করা মানে খরচ করা, আর হলুদ ফুল মানে বিচ্ছেদ। এই কুসংস্কারগুলি কোথা থেকে এসেছে এবং আপনার কি এগুলো বিশ্বাস করা উচিত কিনা ?
আমরা একবিংশ শতাব্দীতে বাস করা সত্ত্বেও, আমাদের অনেকেই এখনও অশুভ লক্ষণ এবং কুসংস্কারে বিশ্বাস করি, যার মধ্যে উপহারের সাথে সম্পর্কিত বিষয়গুলিও রয়েছে। অতএব, লোক লক্ষণ অনুসারে, ঘড়ি, রুমাল, খালি মানিব্যাগ, সাদা চপ্পল এবং আরও অনেক কিছু দেওয়ার প্রথা নেই যা ভালো কিছু বয়ে আনবে না। প্যারাসাইকোলজিস্ট সাওনা, উপহার দেওয়ার সময় কী কী লক্ষণ বিদ্যমান এবং কোথা থেকে আসে সে সম্পর্কে এখানে কথা বলছেন।

বিষয় বস্তু
* এস্ট্রাল-জগৎ কি? * কিভাবে এস্ট্রাল-জগতে প্রবেশ করবেন? *অ্যাস্ট্রালের নান্দনিকতা
এস্ট্রাল জগৎ-

এস্ট্রাল হল একটি এজোটেরিক শব্দ, এর দ্বারা অদৃশ্য জগৎকে বোঝানো হয় বা যেমন প্রায়শই বলা হয় "সূক্ষ্ম- জগত"বা “অন্য-জগত” বা আরবিতে “বারঝাক” শব্দ দ্বারা যে জগত বোঝানো হয়। সেখানে অন্যান্য প্রাণী বাস করে এবং তার নিজস্ব এজোটেরিক আইন অনুসারে বেঁচে থাকে। এস্ট্রালের মধ্যে, আপনি মৃত মানুষের অথবা এমন মানুষ যার জন্মই হয়নি এখনও এমন সব আত্মার সাথে দেখা করতে পারেন। এছাড়াও, প্রায়শই ক্ষতিকর বা শত্রু সত্তার মুখোমুখিও হতে পারেন। অভিজ্ঞ ভ্রমণকারীরা বলেন যে এস্ট্রালের আবির্ভাবের আগে এস্ট্রালে কমপক্ষে বেশ কয়েকটি প্রস্থান প্রয়োজন। এবং একজন অনভিজ্ঞ ভ্রমণকারী সময় জ্ঞান বা তার শরীরে ফিরে যাওয়ার পথ হারিয়ে ফেলতে পারে এবং ফিরে আসতে নাও পারে।
যে পরিবারের কর্তা পুরুষঃ
সেই পরিবার ভারসাম্যপূর্ণ এবং শান্তিপূর্ণ। তালাক নেই প্রায়।
- সেই পুরুষের কাজকর্ম, ব্যবসা এবং সামাজিক মর্যাদা অনেক উঁচুতে থাকে।
যে পরিবারে মহিলা তার স্বামী ও সন্তানদের যত্ন নেয়ঃ
-সেই পরিবারে পুত্র সন্তান জন্ম নেয়।
যে পরিবারের কর্তা মহিলা এবং যে পরিবারে স্বামী ও স্ত্রী দুজনেই কর্মজীবীঃ

সেই পরিবারে অভাব লেগেই থাকে সারা বছর।
-টাকা পসার কোন আয় পাওয়া যায় না।
স্ত্রী মেজাজ সব সময়ই খিটখিটে থাকে।
এবং স্ত্রী সর্বদাই অসন্তুষ্টিতে থাকে।
সেই পরিবার কন্যা সন্তান-ই জন্মে।
সেই পরিবারে পুরুষরা বেশদিন বাঁচে না।
সেই পরিবারে পুরুষরা বিভিন্ন অসুস্থতায়
সারা জীবন ভুগে থাকে।
সেই পরিবারের সন্তানরা বেশীর ভাগ সময়ই
অসুস্থতায় আক্রান্ত থাকে।
সেই পরিবার ক্রমেই বিভিন্নমুখী সমস্যায় জর্জরিত ও নিমজ্জিত হতে থাকে।






























