চিকিৎসা পদ্ধতি, জ্ঞাতব্য, সতর্কতা ও বর্জনীয় - ভালো ভাবে মনযোগ সহকারে পড়ুন

সব তথ্য সঠিক ভাবে পড়ে বোঝার পরেই কেবল চিকিৎসা গ্রহন করবেন। যে কোন প্রকার যুক্তিযুক্ত প্রশ্নের সমাধান করে নেবেন চিকিৎসা গ্রহনের শুরুতেই। পরবর্তিতে কোন প্রকার অভিযোগ করবেন না এবং গ্রহন যোগ্য নয়।
অন্যথায় চিকিৎসা গ্রহন করবেন না।
অর্থডক্স মেডিসিন বা কেমিক্যাল চিকিৎসা ব্যাবস্থার পাশাপাশি অল্টারনেটিভ মেডিসিন, পেরসো-এরাবিক ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন, নিউট্রাপ্যাথি, টিসু রেমেডি, আয়ুর্বেদ, যোগ চিকিৎসা ব্যাবস্থা এগুলও এই চিকিৎসার অংশ।
যে সব ক্ষত্রে হার্টের ব্লকের চিকিৎসা শুধু মাত্র নিম্ন লিখিত সমস্যা গুলো দূর করার পরে দেওয়া হয়।
(প্রাইমারী সমস্যা )
১।ডায়বেটিস। ২। জণ্ডিস বা ফ্যাটি লিভার বা হেপাটমেঘালি ৩।এজমা বা হাঁপানি। ৪। ব্রাইন স্ট্রোক বা হেমোরেজ।
৫। অত্যধিক গ্যাস্ট্রিক বা পেটের সমস্যা। ৬।এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্ট পুরাতন টাইফয়েড জ্বরএর ক্ষেত্রে। ৭।দূর্বল মানষিক সমস্যা ।
হার্টের ব্লকের চিকিৎসা দেওয়া হয় -

১। বয়স ৫৫ এর মধ্যে। ২। হাঁপানির রোগ মুক্ত। । ৩। ব্রাইন স্ট্রোক বা হেমোরেজ মুক্ত।
৪। লিভার এবং কিডনির সমস্যা মুক্ত। ৫। অত্যধিক গ্যাস্ট্রিক বা পেটের সমস্যা মুক্ত। ৬।টাইফয়েডের সমস্যা মুক্ত। ৭।মানষিক সমস্যা মুক্ত।
যে সব ক্ষত্রে হার্টের ব্লকের চিকিৎসার জন্য রোগী অনুপোযুক্ত ( চিকিৎসা দেওয়া হয় না বা স্থগিত করতে হয়।)
১। গল ব্লাডার বা পিত্ত থলি কেটে ফেলে দেওয়া রোগী।
৩। হার্টে রিং পরান রোগী।
৪। পানে অভ্যস্ত পরুষ ও মহিলা ।
৫। কেমো বা ক্যান্সার থেরাপির রোগী। ৬। গ্যাস্ট্রিকের ব্যাথা এবং হার্টের ব্যাথার পার্থক্য বুঝতে অপারগ। ৭। ডায়বেটিস এর রোগীর ক্ষেত্রে রক্তের সুগার কমে যাওয়ার উপসর্গ বুঝতে না পারা । (যেমন মাথা ঘোরান, দূর্বল লাগা, ...ইত্যাদি।
৬। অতিরিক্ত মেদ-ভুঁড়ি এবং ওজন যুক্ত পরুষ ও মহিলা ।

রোগীর খবার দাবার-এ নিষেধাজ্ঞা
বিশেষ ভাবে নিষেধ
*পান। *মরিচ/ঝাল। *অতিরিক্ত মসল্লা এবং তেল এবং
১। আলু। ২। দুধ (ডেইরি ফুড)। ৩।প্যাকেট বা কৌটা জাতীয় খাদ্য।(যেমন- বিস্কিট, পাউরুটি, কেক, চকলেট, জুস,পানিয়)। ৪। কফি । ** সকালের বা দুপুরে খাবার পর কোন কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না। **মৌসুমি ফল পরিমাণ মতো খেতে পারেন। তবে অতিরিক্ত মিস্টি ফল বেশী নয়।
ভালো ভাবে মনযোগ সহকারে পড়ুন
সব তথ্য সঠিক ভাবে পড়ে বোঝার পরেই কেবল চিকিৎসা গ্রহন করবেন। যে কোন প্রকার যুক্তিযুক্ত প্রশ্নের সমাধান করে নেবেন চিকিৎসা গ্রহনের শুরুতেই। পরবর্তিতে কোন প্রকার অভিযোগ করবেন না এবং গ্রহন যোগ্য নয়।

চিকিৎসা পদ্ধতিটি
এই চিকিৎসা পদ্ধতিটি সম্পূর্ন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া মুক্ত একটি পদ্ধতি, এক্ষেত্রে---
১। ঔষধের পরিবর্তে খাদ্যের বিকল্প পদ্ধতি ব্যাবহার করা হয়।
২। প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান এই পদ্ধতির মূল ভিত্তি।
৩। লাইফ স্টাইল বা আমাদের দৈনন্দিন চলাফেরা এবং নিয়ম-কানুন এই পদ্ধতির গুরুত্তপূর্ন আংশ।
৪। দৈনন্দিন জীবনের খওয়া-দাওয়া সংশোধন এই পদ্ধতির গুরুত্তপুর্ন আংশ।
৫। চিকিৎসার মেয়াদ ৬ মাসের অধিক হতে পারে। এটা রোগীর রোগের তীব্রতা উপর নির্ভর করে।
৬। রোগারোগ্যের সফলতা ও দ্রুততা, সম্পূর্ন রোগীর লাইফ স্টাইল বা দৈনন্দিন চলাফেরা, নিয়ম-কানুন ও খওয়া-দাওয়া সংশোধন এর উপর নির্ভর করে।
জ্ঞাতব্য ও সতর্কতা
৭। চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে উদ্ভূত বা পুরাতন আনুষঙ্গিক অন্যান্য অসুস্থতা যা উল্লেখ্য অসুস্থতার সাথে সংশ্লিষ্ট নয় এমন পরিস্থিতিতে এই চিকিৎসা স্থগিত থাকিবে। উক্ত আনুষঙ্গিক অন্যান্য অসুস্থতা সম্পূর্ন ভাল হবার পরে এই চিকিৎসা বিবেচ্য হইবে।